নাজমুল শাহরিয়ার প্রান্ত,কিশোরগঞ্জ (সদর) প্রতিনিধি::
দুই দশক পর খোলা মাঠে হাজারো কর্মী-সমর্থক নিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়ামে ৩১ মে বেলা ৯ টা থেকে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে এই সম্মেলনের সময় ও স্থান নির্বাচন ঘিরে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
সম্মেলনের দিন কিশোরগঞ্জ শহরে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা। গুরুদয়াল কলেজ, মহিলা কলেজ, উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হাজারো শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায়। কিন্তু শহরের প্রাণকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জামায়াত-শিবিরের সম্মেলনের কারণে পুরো শহর কার্যত জ্যামে অচল হয়ে পড়ে।
শুধু যানজট নয়, সম্মেলনের উচ্চ শব্দে মাইকিংয়ের কারণে পরীক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা ঠিকমতো পরীক্ষা দিতে পারেনি, মানসিক চাপে ভুগেছে—যার ফলে প্রশ্ন উঠছে, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত নিয়ে এতটা অবিবেচনার দায় কে নেবে?
স্থানীয়রা বলছেন, মাত্র কয়েক ঘণ্টা দেরি করে অনুষ্ঠানটি দুপুর ১২টার পর করলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। কিন্তু সে মানবিক বিবেচনা আয়োজকদের-দের মধ্যে দেখা যায়নি।
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যাঁরা দেশের ভবিষ্যত রচনা করতে চান, তাঁরাই যদি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের মূল্য না বোঝেন—তবে তাঁদের হাতে রাষ্ট্র কতটা নিরাপদ থাকবে?”
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকে বলছেন, জনসচেতনতা ও সাধারণ বোধের ঘাটতিই আজ আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।